Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প

একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প:-

বিজয়নগর উপজেলার ৩টি ইউনিয়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতি ইউনিয়নে ছয়টি গ্রাম করে মোট ১৮টি গ্রামের (প্রতি গ্রামে ৬০ পরিবার করে) মোট ১০৮০ পরিবার এই পকল্পের আওতাভূক্ত করা হয়েছে। ২০১২- ২০১৩ অর্থ বছরে অত্র উপজেলায় সম্পদ হস্তান্তরের জন্য মোট ২৭,০০,০০০ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে। প্রকল্পের সম্পদ হস্তান্তরের আওতায় সুফলভোগীদের মধ্যে ১০০ জনকে বকনা গাভী, ৪৪ জনকে ঢেউ টিন, ৩০ জনকে হাঁস-মুরগীর বাচ্চা, ৯০ জনকে গাছের চারা, এবং ১২০ জনের মধ্যে শাক সবজির বীজ বিতরন সম্পন্ন করা হয়েছে।
২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে উপজেলার প্রতিটি গ্রামে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

 

  প্রকল্প সমূহ :

 

১। একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্প :

লক্ষ্য :

‘‘একটি বাড়ি একটি খামার’’ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য প্রতিটি পরিবারকে মানব ও অর্থনৈতিক সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই আর্থিক কার্যক্রমের একক হিসেবে গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে ২০১৫ সালের মধ্যে জাতীয় দারিদ্র ৪০% থেকে ২০%-এ নামিয়ে আনা।

উদ্দেশ্য সমূহ :

*        দরিদ্র/ অতিদরিদ্র (প্রতি গ্রামে ৬০টি) পরিবার সহ সমিতিভূক্ত সকল পরিবারকে গ্রাম সংগঠনের মাধ্যমে প্রতিটি গ্রামকে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মূল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।

*        গ্রামের প্রতিটি পরিবারকে কৃষি, মৎস্যচাষ, পশুপালন,ইত্যাদি কাজের মাধ্যমে একটি কার্যকর ‘‘খামার বাড়ি’’ হিসেবে গড়ে তোলা।

*        প্রতি গ্রাম থেকে ৫ জন করে ( কৃষি, পশুপালন, হাঁস-মুরগী পালন, মৎস্য চাষ, বৃক্ষ নার্সারী ও হটিকালচার ট্রেডের প্রতি বিষয়ে একজন)  সদস্যকে জীবিকা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে খামার স্বেচ্ছাসেবী গঠন করা এবং অন্যান্য বিষয়ে গ্রামকর্মী সৃজন করা।

*        ঋণ সহায়তার মাধ্যমে গ্রামের  পরিবারে  খামার বা জীবিকাভিত্তিক কার্যক্রম নিশ্চিত করা।

*        প্রকল্প থেকে গ্রাম সংগঠনের অতিদরিদ্র/ দরিদ্র সদস্যদের মাসিক সঞ্চয়ের বিপরীতে সমপরিমান কন্ট্রিবিউটরি মাইক্রো সেভিংস প্রদানের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের ব্যক্তি সঞ্চয় বছরে ন্যূনতম ৫,০০০/- টাকায় উন্নীত করা যা ২ বছরে ১০ হাজার এবং ৫ বছরে ৪০ হাজার টাকায় উন্নীত হবে।

*        ব্যক্তি তহবিলে কন্ট্রিবিউটরী অর্থের অতিরিক্ত প্রতিটি সংগঠনকে বছরে তাদের নিজস্ব সঞ্চয়ের সমপরিমাণ প্রকল্প থেকে মূলধন সহায়তার মাধ্যমে দু’বছরে মোট ৯০,০০,০০০/- টাকা গ্রাম সংগঠন তহবিল গড়ে তোলা।

 

২। পিআরডিপি-২ :  ২০০০ সালে প্রাথমিক ভাবে টাংগাইল, কুমিল্লা ও মেহেরপুর এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে বর্ধিত আকারে ঐ তিনটি জেলায় এবং ২০১০ সালে বাংলাদেশের সকল জেলায় ১০০টি ইউনিয়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে, যার মেয়াদকাল আপাতত জুন/২০১৪ সাল পর্যন্ত রয়েছে। পরবর্তীতে এর সফলতার উপর ভিত্তি করে প্রকল্পের মেয়াদ বর্ধিত/ স্থায়ীভাবে মূল কার্য্যক্রমের সাথে অন্তর্ভূক্ত করা হবে।

প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য :

 

ক) ছোট ছোট গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মান, যার ৭০% পিআরডিপি-২ বহন করবে এবং বাকী ৩০% গ্রামবাসী ও ইউপির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। উল্লেখ্য, এক্ষেত্রে গ্রামবাসীর ইউপি ট্যাক্স পরিশোধ করতে হবে।

খ) বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচী যেমন : কৃষি, প্রাণী, মৎস্য, সেলাই, স্বাস্থ্য এর মাধ্যমে গ্রামবাসীকে যথাযথ দক্ষ করে তোলা।

গ) মাসিক ইউনিয়ন সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে ইউনিয়নে কর্মরত সকল সরকারী- বেসরকারী জাতি গঠনমূলক বিভাগ, ইউপি সদস্যসহ সকলকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা ।

৩। আবর্তক কৃষি ঋণ প্রকল্প :সরকারী অর্থায়নে সমিতির মাধ্যমে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান প্রকল্প।

৪। পল্লী দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচী (পদাবিক) :সরকারী অর্থায়নে দরিদ্র জন গোষ্টির আর্থ সামাজিক উন্নয়নে গ্রপ/দল এবং মাধ্যমে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান কর্মসূচী।

৫। সমন্বিত দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচী (সদাবিক):সরকারী অর্থায়নে দরিদ্র জন গোষ্টির আর্থ সামাজিক উন্নয়নে গ্রপ/দল এবং মাধ্যমে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান কর্মসূচী।

৬। পল্লী প্রগতি প্রকল্প :সরকারী অর্থায়নে দরিদ্র জন গোষ্টির আর্থ সামাজিক উন্নয়নে গ্রপ/দল এবং মাধ্যমে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান কর্মসূচী।

৭। অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তার পোষ্যদের আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্প :সরকারী অর্থ দ্বারা অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তার পোষ্যদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য ঋণ প্রদান প্রকল্প।